News

img
0
Guest post: Asif Mohiuddin on the World Humanist Congress

Asif Mohiuddin_275x257 World Humanist Congress 2014 speaker Asif Mohiuddin is a Bangladeshi liberal humanist, free-thinker and award winning blogger. In 2013, in response to his ‘anti-state’ and ‘anti-religious’ writings the Bangladeshi government banned Asif’s blog and subsequently arrested and jailed him. Here we republish a piece he originally posted in Bengali on 3 March 2014 about being invited to speak at the Congress and his wish that Bangladesh be better perceived on the global stage.

 

The World Humanist Congress speaker line-up is full of eminent people and amongst them I am simply a small-time blogger, but I am proud to represent Bangladesh by speaking alongside the likes of Richard Dawkins, Taslima Nasrin, PZ Myers, Nobel prize winner Wole Soyinka, A C Grayling and other philosophers, teachers, writers, scientist and atheists. It’s time for Bangla blogs to make rise from their small beginnings and take the international stage – to make our mark amongst these world renowned people. To be invited to the World Humanist Congress (which takes place every three years) to represent Bangladeshi culture and our humanist work is an important moment for me.

 

We are not trailing behind everyone, we never have. In our lands, we had Carvaka (Ancient Indian philosophy that rejects religious concepts such as the afterlife) and Buddha who challenges religious thought in the distant past. We have Lalon Fakir (a famous 19th century traditional musician) who sang about morality. We had people like Aroj Ali, Humayun Azad and Ahmed Sharif (20th century philosophers and writers) who have freed us from the shackles of outdated thinking. They weren’t trailing behind anyone. Bangladeshi doesn’t mean Jamaat-e-Islam, Bangladeshi doesn’t mean Hifazat, Bangladeshi doesn’t mean South Asia’s Islamic fundamentalist – Pakistan’s little brother. There is religious fundamentalism in Bangladesh, but there are also voices raised in protest against it, much like in the United States and Europe.

 

We just need to get our voice to the international stage. We need to make our position clear. If we don’t, the outside world will always see us as illiterate, religious fundamentalist, far right nationalist, misogynist, anti-gay, backwards-thinking and we will keep being seen as a mini-Pakistan, mini-Afghanistan, mini-Saudi Arabia. It’s time to change these perceptions. We want to change from a moderate Muslim country to be secular Bangladesh, where there is free speech and equal rights for all. We are marching towards that future and hopefully the outside world will see us.  

 

Thank you to Plabon Saha (@plabz) for translating the original post into English.

 

এখানে স্পিকার লিস্টে যাদের নাম রয়েছে তারা সকলেই অত্যন্ত বিখ্যাত মানুষ। তাদের মধ্যে আমি নিতান্তই তুচ্ছ একজন ব্লগার। তবে রিচার্ড ডকিন্স, তসলিমা নাসরিন, পিজে মায়ার, নোবেল জয়ী সোয়িঙ্কা, গ্রেইলিং সহ পুরো পৃথিবীর দার্শনিক, শিক্ষক, লেখক, বিজ্ঞানী, মুক্তমনা, নাস্তিকদের মাঝে নিজেকে আবিষ্কার করা, তাদের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখা নিঃসন্দেহে বাঙলাদেশি হিসেবে অনেক গৌরবের ব্যাপার। বাঙলা ব্লগের ছোট গলি ছেড়ে এখন মনে হয় আমাদের আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাবার সময় হয়েছে, জাঁদরেল সব বিখ্যাত মানুষদের কাতারে- আন্তর্জাতিকক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়ার সময় হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিস্ট কংগ্রেসের প্রতি তিন বছর অন্তর জাতীয় সম্মেলনে নিমন্ত্রণ পাওয়া এবং সেখানে বাঙলাদেশের লৌকিক দর্শন, মাটির সোঁদা গন্ধের বস্তুবাদী দর্শন এবং বাউল লালন ফকির কিংবা গ্রাম্য কৃষক আরজ আলী মাতুব্বরের মানবতাবাদ পৌঁছে দেয়ার সুযোগটুকু আমার জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

 

আমরা পিছিয়ে নেই, আমরা কখনই পিছিয়ে ছিলাম না। যেই অঞ্চলে সেই প্রাচীনকালেই চার্বাক আর গৌতম বুদ্ধরা নাস্তিক্যবাদের শুরুর কথাগুলো বলে দিয়ে গেছে, লালন ফকিররা আন্তর্জাতিক মানবতাবাদের গান গেয়ে গেছেন, আরজ আলীরা বিশ্ব সাম্যের কথা বলে গেছেন, আহমদ শরীফ-হুমায়ুন আজাদরা প্রাচীন বিষবৃক্ষের শেকড় কেটে দিয়ে গেছেন, তারা পিছিয়ে ছিল না কোনদিনই। বাঙালি মানে জামাত ইসলাম নয়, বাঙালি মানে হেফাজত নয়, বাঙালি মানে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধ মৌলবাদী পাকিস্তানের ছোটভাই নয়। বাঙলাদেশে ধর্মান্ধ মৌলবাদী যেমন আছে, তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠস্বরও রয়েছে-ঠিক যেমনটা ইউরোপে কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

 

শুধু আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমাদের কথা পৌঁছে দেয়াটুকুই প্রয়োজন। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন। নতুবা সবসময়ই আমরা বহির্বিশ্বের চোখে অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক, উগ্র জাতীয়তাবাদী, নারী বিরোধী, সমকামী বিদ্বেষী, বর্বর মধ্যযুগীয় ধ্যান ধারণার অধিকারী কিংবা মিনি পাকিস্তান, মিনি আফগানিস্তান, মিনি সৌদি আরব হয়েই থাকবো। এই ধারণা পালটে দেয়ার সময় হয়েছে। মডারেট মুসলিম দেশ থেকে অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক বাঙলাদেশ, যেখানে বাক-স্বাধীনতা এবং সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়, সে পথে আমাদের যাত্রা শুরু হোক, এবং বহির্বিশ্ব আমাদের সেভাবেই চিনুক।